সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের আব্দুল মালেক মিয়ার বাড়ী থেকে বাহির হওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে সাংবাদিকদের নিকট ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন
বসতবাড়ী হইতে যাতায়াতের পথ বন্ধ রাখার বিষয়টি জানান।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের বসত বাড়ীর সামনে।
ভুক্তভোগী পরিবার আবদুল মালেকের ছেলে বাদী হয়ে এই বিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,উক্ত ২টি তাল গাছের মধ্যে ১টি তাল গাছ অজ্ঞাত কারণে মরিয়া যাওয়ায় বিবাদীগণ তাহা দেখিয়া তাহাদের ভালগাছটি আমি মারিয়াছি মর্মে আমাকে উদ্দেশ্য করিয়া এই বিষয়ে আমাকে মারার জন্য সময় সুযোগ খোঁজিতে থাকে। এমতাবস্থায় ঘটনার দিন ২৭/০৮/২০২৫ইং তারিখ রোজ বুধবার সকাল অনুমান ১০:০০ ঘটিকার সময় আমার আম্মা ১নং স্বাক্ষী ছায়ারুন বেগমের নিজ বাড়ীর উত্তর পাশে দোকান হইতে খরচ আনার জন্য ঘটনাস্থল সরকারি যাতায়েতের কাঁচা রাস্তার উপর যাইয়া পৌঁছিলে বিবাদীগণ আমার আম্মাকে রাস্তায় একা পাইয়া তাল গাছ মরার বিষয়কে কেন্দ্র করিয়া জোর পূর্বক ধরিয়া এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি লাথি মারিয়া তাহার শরীরের বিভিন্নস্থানে নীলা ফুলা বেদনাদ্বায়ক জখম করে। আমার আম্মার হাল্লা চিৎকার শুনিয়া আমার আম্মাকে বাচানোর জন্য আমি আগাইয়া ঘটনাস্থলে গেলে উপরোক্ত বিবাদীগণ আমার দিকে উত্তেজিত হইয়া আমাকে জোর পূর্বক ধরিয়া এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি লাথি মারিয়া আমার শরীরের বিভিন্নস্থানে ও গলায় নীলা ফুলা বেদনাদ্বায়ক জখম করে। আমাদের শোর চিৎকার শুনিয়া মানিত স্বাক্ষীগণসহ পাড়া প্রতিবেশি লোকজন ক্রমান্নয়ে ঘটনাস্থলে আসিয়া বিবাদীগণকে মারমুখি হইতে বাঁধা নিষেধ দিয়া আমাদের প্রাণ রক্ষা করেন।
এই বিষয়ে বিবাদী মোছাঃ কুলসুমা বেগম (৫০) বলেন,গত বুধবার,ছায়েম এন্ড সুমি ভ্যারাইটিজ স্টোর এই দোকানে খরচ আনতে গিয়েছিলাম।হঠাৎ করে আমার উপর আক্রমণ চালায় পাশের বাড়ীর এরশাদ।এ-সময় কুলসুমা বেগমের শোর চিৎকার করিলে এলাকার অনেকেই এসে উদ্ধার করে হাসপালে ভর্তি করেন বলে অভিযোগ করেন তারা।
জানতে চাইলে অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ জাহিদুল হক বলেন,এই বিষয়ে সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।