বিনোদন প্রতিবেদক :
দীঘি কেনো বিব্রত হবেন সেটা আমাদের বোধগম্য নয়। বরং নিজের পেশাদারিত্বের দিকে মনোযোগ দিলে ভালো করতেন। একটি প্রজেক্টে অনবোর্ড হওয়ার পর দিনের পর দিন পার হয়ে যায়, তিনি স্ক্রিপ্টের ফাইনাল ড্রাফট পড়ার সময় পান না। পরিচালকের ফোন, মেসেজ এর রিপ্লাই করতে ২৪-৪৮ ঘন্টা পেরিয়ে যায়, কনটেন্ট প্রমোশনের সময় পান না তখন একটা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের করনীয় কী থাকে ? একটা প্রজেক্টের শুরুতেই যদি এত অনীহা ও দায়িত্বহীনতা কাজ করে,তাহলে রিলিজের সময় কী হবে ?পরিচালকের মাধ্যমে তাকে অনবোর্ড করানো হয়। পরিচালক নিজে তাকে বাদ দেয়ার বিষয়টি জানায়। এরপর তিনি পরিচালককে কল করেন।
দীঘি সংবাদে দাবি করেছেন আমরা যুক্তিসঙ্গত কারন দেখাতে পারিনি। অথচ তিনি বাদ পড়েছেন ২২ জানুয়ারি। সেদিন তিনি পরিচালকের সঙ্গে ২০ মিনিট কথা বলেছেন। শেষ পর্যন্ত আমাদের সিদ্ধান্ত মেনেও নিয়েছেন। এরপর তিনি তার কো আর্টিস্ট আদর আজাদের সঙ্গে ৩৪ মিনিট কথা বলেছেন। তারও ঠিক এক মাস পর যখন আমরা তাকে বাদ দিয়ে মোশন পোস্টার এর মাধ্যমে টগর এর নায়িকার ঘোষণা দিলাম, এখন এসে তিনি শিল্পী সমিতিতে অভিযোগের কথা বলছেন। মানহানির কথা বলছেন।
দীঘির বিরুদ্ধে অভিযোগতো আমাদের করার কথা, তার অপেশাদারিত্বের কারনে। আর কোথায় কেন তিনি কোন গ্রাউন্ডে অভিযোগ জানাবেন সেটাও তার বোঝা উচিত। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করবে, আর আর্টিস্টরা যদি কাজে কমিটেড না থাকেন, তাহলে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান যে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ারই ক্ষমতা রাখে। আমরাতো কেবল এনাউন্সমেন্ট টিজার শুট করেছি, বিশ্বব্যাপী সিনেমার মূল শুটিং এর পরও কাস্টিং পরিবর্তনের কোটি কোটি নজির রয়েছে।
দীঘির অপেশাদারিত্বের আরেকটি নমুনা হচ্ছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের তরফে কল মেনে নিয়ে এক মাস পর অভিযোগের হুমকি দিচ্ছেন। ওকে সেটা তিনি দিতেই পারেন। তিনি যদি এই বিষয়ে আর জল ঘোলা করেন, তাহলে ২২ জানুয়ারি হওয়া তার সাথে টীমের দুটো কনভার্সেশনের অডিওই অনলাইনে আপলোড করে দেবো। আশা করছি এবার বিষয়টি লাউড অ্যান্ড ক্লীয়ার।