স্পোর্টস ডেস্ক,
চৌধুরী ইয়াসির আলী রাব্বি নামটা কিছুটা আক্ষেপের, কিছুটা সম্ভাবনার। দেশের ক্রিকেটে বিগ হিটারের তকমা নিয়ে এসেছিলেন। তবে নিজের সম্ভাবনাটা সেভাবে কাজে লাগাতে পারেননি। বরং একটু একটু করে সরে গিয়েছেন জাতীয় দল থেকে। যদিও এবারের বিপিএলটায় নিজেকে নতুন করে চেনাচ্ছেন চট্টগ্রামের এই লোকাল হিরো।
খেলছেন দুর্বার রাজশাহীর হয়ে। এখন পর্যন্ত ব্যাট হাতে ক্রিজে নেমেছেন ৫ বার। করেছেন ২১০ রান। আছেন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় তৃতীয় স্থানে। তার স্ট্রাইক রেটও অসামান্য। ১৬১.৫৩ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট চালিয়েছেন তিনি। টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ১৬টি ছক্কাও এসেছে তার ব্যাট থেকে। ৫ ম্যাচ খেলে ফিফটি পেয়েছেন একবারই।
তবে যখনই দলের জন্য নেমেছেন, ছিলেন আগ্রাসী ভূমিকায়। নিজেকে এবারে ইয়াসির রাব্বি চেনাচ্ছেন নতুন করে। ছক্কার তালিকায় তার পরেই আছেন কাইল মায়ার্স। ফরচুন বরিশালের এই তারকা হাঁকিয়েছেন ১৪ ছক্কা। ইয়াসির রাব্বি এবং মায়ার্স দুজনেই চারের চেয়ে ছক্কা হাঁকিয়েছেন বেশি। এই তালিকায় আছেন আরও দুজন। খুলনার মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ২ চারের বিপরীতে মেরেছেন ১০ ছক্কা। আর ঢাকার সাব্বির রহমানের ৩ চারের বিপরীতে আছে ১২ ছক্কা।
তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৩ ছক্কা আছে দুজনের। দুজনেই রংপুর রাইডার্সে ব্যাটার। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক সাইফ হাসান ২২১ রান করার পথে ১৬ চারের সঙ্গে হাঁকিয়েছেন ১৩ ছয়। আর অ্যালেক্স হেলসের ২১৮ রানে আছে ২০ চার ও ১৩ ছক্কার মার।
টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি বাউন্ডারিও ইংলিশ ব্যাটার হেলসের। রংপুরের এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার সবমিলিয়ে হাঁকিয়েছেন ৩৩ বাউন্ডারি। ২২ চার ও ১০ ছয়ের সাহায্যে ৩২ বাউন্ডারির মার আছে চিটাগাং কিংসের উসমান খানের। ৩০ বাউন্ডারি ইয়াসির আলী চৌধুরী রাব্বির।
স্ট্রাইকরেটের তালিকাতেও বেশ পিছিয়ে আছেন ইয়াসির রাব্বি। যদিও টুর্নামেন্টে ২০০-এর বেশি রান করাদের মধ্যে তার স্ট্রাইক রেটই সর্বোচ্চ। কমপক্ষে ৫০ বল খেলেছেন এমন তারকাদের মাঝে সবচে বেশি স্ট্রাইকরেট সাব্বির রহমানের। ৫০ বলে ১০৭ রান করা ঢাকার এই ব্যাটারের স্ট্রাইকরেট ২১৪।
এরপরেই আছেন চিটাগাং কিংসের জার্সিতে ৫৫ বলে ১১০ রান করা শামীম পাটোয়ারি। তার স্ট্রাইকরেট ঠিক ঠিক ২০০। আর ৫৫ বলে ১৯৮ এর বেশি স্ট্রাইকরেটে ব্যাট করেছেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। অবশ্য সবচেয়ে বেশি স্ট্রাইকরেট ৩০ বলে ৭৫ রান করা ফাহিম আশরাফের। এবারের বিপিএলে এখন পর্যন্ত তার স্ট্রাইকরেট ২৫০।