সাজ্জাদ মাহমুদ মনির,(সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি):::
সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে ইউনিয়ন পরিষদের নামে নদীপথে চাঁদাবাজী এবং সংবাদ সন্মেলনে বালু মহাল ইজারাদারদের নাম উল্লেখ করে আপত্তিকর বক্তব্য দেয়ার প্রতিবাদে ইউপি চেয়াম্যান এড. সুফী আলম সোহেলের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকেলে শহরের পাথর ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির কার্যালয়ে ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের নামে নদীপথে চাঁদাবাজীর অভিযোগ এনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সিলেট কোম্পানীগঞ্জের পিয়াইন নদী বালু মহাল ইজারাদার মোঃ সুজন মিয়া।
লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ তুলে বলা হয়,চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে একটি চাঁদাবাজ চক্র দীর্ঘ ২ বছর ধরে ভাসমান নদীতে চলাচলরত নৌ-যান থেকে চাঁদা আদায় করে আসছেন।ইউনিয়ন পরিষদের নাম ও প্যাড ব্যবহার করে এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ে লিপ্ত রয়েছেন তিনি।
এসব অবৈধ চাঁদাবাজী বন্ধ রাখার কথা বললে কোম্পানীগঞ্জের চাটিবহর-আমবাড়ী গ্রামের হাজী তৈমুজ আলীর পুত্র বালু মহাল ইজারাদার মোঃ সুজন মিয়া এবং ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ব্যবসায়ী হাজী বুলবুল আহমদের উপর চরমভাবে ক্ষীপ্ত হয়ে উঠেন।
চাঁদাবাজীর বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সংবাদ সম্মেলনের নামে ইউপি চেয়ারম্যান ইজারাদারদের নাম উল্লেখ করে মনগড়া, মিথ্যাচার ও আপত্তিকর বক্তব্য প্রদান করেন। লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয় ছাতক, কোম্পনীগঞ্জ ও দোয়ারা উপজেলার নদী পথে কারা চাঁদাবাজীতে লিপ্ত রয়েছে তা প্রশাসন অবগত রয়েছে।
ইসলামপুর ইউনিয়নের রশিদ দিয়ে কার্গো, বাল্কহেড থেকে ১ হাজার টাকা করে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। এ ছাড়া সীমান্তের বিভিন্ন স্পটের চোরাচালানীদের কাছ থেকে তিনি আদায় করছেন অবৈধ আর্থিক সুবিধা।
তার এসব অপকর্ম আড়াল করতেই বৈধ ইজারাদার ও ব্যবসায়ীদের নামে সংবাদ সন্মেলনে এসব মিথ্যাচার সম্বলিত বক্তব্য দিয়েছেন তিনি। এসব অপকর্ম থেকে বিরত থাকার আহবান জানানো হয় লিখিত বক্তব্যে। অন্যতায় ব্যবসায়ীদের সাথে নিয়ে চেয়ারম্যানের এসব কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আন্দোলনের হুমকী দেয়া হয়।
সংবাদ সন্মেলনে হাজী বুলবুল আহমেদ ও উপস্থিত ছিলেন।